৮২ লাখ জাতের গাছে জড়িয়ে আছে সিলেটের মাটি-মানুষের ভাগ্য

fff

ভারতের দু’টি রাজ্যে ও বাংলাদেশের মাটি মানুষের শক্র টিপাইমুখ বাঁধ। তারপরও নির্মাণে তৎপর ভারতের কেন্দ্রিয় সরকার। এমতাবস্থায় খোদ ভারতের ৮২লাখ বিরল জাতের গাছ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আপাতত বাধ নির্মাণযজ্ঞে। কেননা এ গাছ রক্ষার সাথে জড়িয়ে আছে বিশেষ করে দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল তথা সিলেটের মাটি মানুষের নিরাপদ ভাগ্য। স্থানীয় বণ উপদেষ্টা কমিটির বাধা মুখে সরকার পিছু হঠলেও মাটি-মানুষের শক্র এ বাধ নির্মাণ প্রকল্প স্থগিত করছে না ভারতের কেন্দ্রিয়  সরকার। এতে করে উদ্বেগ উৎকন্ঠা সহ প্রতিবাদ চলছে এপার ও ওপারে। আজ সিলেটে ‘প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধের সম্ভাব্য ফলাফল : আমাদের কৃষি ও পরিবেশের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় আশংকা’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্টিত হবে। পানি অধিকার ফোরাম (ডাব্লু আর এফ) আয়োজনে এ সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন শাবি’র সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টর অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম। তিনি ইনকিলাবকে বলেন, আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ অমান্য করে টিপাইমুখ বাধ নির্মাণ অনুচিত। নদীপথে বাধ দিলে প্রকৃতি বিগড়ে যাবে। প্রকৃতি বিগড়ে গেলে দূর্যোগ অনিবার্য। সেকারনে ভবিষ্যত মহাবিপদ থেকে রক্ষায় ভারতকে বাধ নির্মাণ বন্ধে বাধ্য করতে হবে। সেজন্য জাতীয় স্বার্থে  রাজনৈতিক ঐক্য ও জোরালো কূটনীতিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। অপরদিকে, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বাস্তবায়ন করতে হলে ভারতের মণিপুর ও মিজোরাম রাজ্যের প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার জঙ্গলের বিরল জাতের ৮২ লাখ গাছ কাটতে হবে। স্থানীয় বাঁধ প্রকল্প বিরোধী অ্যাকশন কমিটি গাছ কাটার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে গাছ কেটে ফেলার কাজটি নির্বিঘেœ করতে দু’টি রাজ্য সরকারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিরল জাতের গাছ কাটা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দু’টি রাজ্যেই। ভারতে নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নতুন ঘটনা নয়। অন্যত্র নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বনাঞ্চলে হাত দিতে হয়েছে। তবে সেসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বনাঞ্চল যতটা ধ্বংস করতে হয়েছে টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষেত্রে তা শতভাগ ছাড়িয়ে যাবে। দু’টি রাজ্যের পরিবেশের যে মারাত্মক ক্ষতি হবে তা চিন্তা করে বিশাল বনাঞ্চল উজাড় করার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে অ্যাকশন কমিটি। মণিপুর ও মিজোরাম রাজ্যের জঙ্গলে চেনা ও অচেনা অনেক প্রজাতির পশু-পাখি রয়েছে। মণিপুরের জঙ্গলের ৮২ লাখ বিরল জাতের গাছ কাটার পাশাপাশি মিজোরাম রাজ্যের এক হাজার ৫৫২ হেক্টর বনভূমি ধ্বংস হয়ে যাবে। দু’টি রাজ্যের জঙ্গলে বাস করছে বাঘ, চিতাবাঘ, মেঘলা চিতাবাঘ, কালো চিতাবাঘ, উল্লুক, স্লো লরিস, পিগ টেল্ড ম্যাকাক, ভাল্লুক, মালয় ভাল্লুক, প্যাঙ্গোলিন, অজগর, হিমালয়ান হলুদ গলার মারটেন, ঘড়িয়াল, ধনেশ পাখিসহ বিলুপ্তপ্রায় অনেক প্রাণী। এদিকে পশু-পাখি ছাড়াও রাজ্য দু’টির বিশাল জঙ্গলে রয়েছে অনেক বিরল জাতের গাছপালা। এছাড়া রয়েছে বাঁশের বিশাল এক ভান্ডার। নিম্ন আয়ের লোকদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে জঙ্গলের বিশাল এলাকাজুড়ে থাকা বাঁশঝাড়। জঙ্গল কেটে ফেলা হলে উজাড় হয়ে যাবে বাঁশের ভান্ডার। নিম্ন আয়ের লোকদের পথে বসতে হবে। টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বিরোধী অ্যাকশন কমিটি ভারতের গণমাধ্যমকে বলেছে, বরাক নদীর উপর জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য মণিপুর ও মিজোরাম রাজ্যের সবুজতাকে বিদায় জানানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আর যদি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে এ কাজটি করা হয় তাহলে গোটা মণিপুর রাজ্যে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে তা থেকে কোনভাবেই উত্তরণ সম্ভব হবে না। নাগরিক মৈত্রী সিলেটের আহবায়ক এডভোকেট সমরেন্দ্র বিজয় সী শেখর বলেন, মানুষ ও পরিবেশ যদি না বাঁচে তাহলে বিদ্যুতের দরকার কি।  সেই মানুষ ও পরিবেশের জীবন বিপন্ন করে তুলবে টিপাইমুখ বাধ। এজন্য এ বাধ প্রকল্প স্থগিত করতে আমরা সোচ্চার। সোচ্চার ভারতের পরিবেশপ্রেমীসহ স্থানীয় জনগোষ্টি। সকলের যুগপৎ আন্দোলন ও দাবীর মুখেই ভারত সরকার বাস্তবতা উপলব্ধি করে সভ্যতা বিরোধী এ বাধ নির্মাণ বন্ধে বাধ্য হবে।

পরিবেশ রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য : বিভাগীয় কমিশনার

সিলেট বিভাগীয় কমিশনার সাজ্জাদুল হাসান বলেছেন, পরিবেশ রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। পরিবেশ আমাদেরকে সুস্থ সুন্দরভাবে বেঁেচ থাকার শক্তি ও সাহস যুগায়। মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপনে পরিবেশের বিকল্প আর কিছু নেই। তিনি বলেন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসের এবারকার প্রতিপাদ্য বিষয় হল-“ হতে হবে সোচ্ছার সাগরের উচ্চতা বাড়াবোনা আর” এই মর্মকথা যথার্থ উপলদ্ধি করে দেশে দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের ও অপরিমিত যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী গ্রীনহাউস গ্যাসের ব্যাপক নির্গমন হ্রাসে বিশ্ব ব্যাপী কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন করা সবার আগে প্রয়োজন। সময় মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে মানুষের জীবন মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকবে। 
তিনি বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। 

sss

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথীর বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রচলিত পরিবেশ আইনের যথাযথ প্রয়োগ হয়না বলেই বিরুপ পরিবেশের কারনে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এখনই পরিবেশ রক্ষা করা না হলে ধ্বংসাত্বক বিপর্যয় আসবে। খাল, বিল, নদী, নালা, হাওর,জলাশয়, পুকুর, পাহাড় ও টিলাকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। আয়োজিত আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা দিলওয়ার হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও সাংবাদিক আফতাব চৌধুরী। অনুষ্টান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান। আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব পরিবেশ উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগীতার বিজয়ীদের মধ্যে অতিথিবৃন্দ পুরস্কার  বিতরণ করেন। আলোচনা সভার আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামন থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি সিলেট নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। 

ছাত্রদলের ডাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজে লাগাতার ধর্মঘট

dd

ওসমানী মেডিকেল কলেজে দুর্বৃত্তদের হামলায় ছাত্রদলকর্মী তওহীদ ইসলাম খুনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মেডিকেল কলেজটিতে লাগাতার ধর্মঘট শুরু হয়েছে। বুধবার রাতে ছাত্রদল এ ধর্মঘট ডাক দেয়।

জানা গেছে, বুধবার বিকেলে আবু সিনা ছাত্রাবাসের ভেতর একদল দুর্বৃত্ত তওহীদের ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে শিক্ষার্থীরা তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে আটটার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে এ ঘটনায় ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে ছাত্রদল। ঘটনার প্রতিবাদে ওসমানী মেডিকেল কলেজে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ঘোষণা করে ছাত্রদল। 

ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

dhaka

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তা পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চার হাজার ট্রেনযাত্রী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে। এই দুর্ঘটনা কারণে চট্টগ্রাম রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, সিলেটসহ কয়েকটি রুটের ছয়টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করে।
ফেনীর দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ও সিলেটমুখী ছয়টি ট্রেন ছেড়ে যেতে পারেনি। ছয়টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এ ট্রেনগুলো হল ঢাকাগামী মহানগর প্রভাতী ও সুর্বণ এক্সপ্রেস, চাঁদপুরগামী সাগরিকা, সিলেটগামী পাহাড়িকা, ঢাকাগামী চট্টলা এবং ঢাকাগামী মেইল ট্রেন কর্ণফুলী এক্সপ্রেস। ট্রেনগুলোর যাত্রা বাতিল হওয়ায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার যাত্রীকে টিকেটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ফেনীর ফাজিলপুর মুহুরী ব্রিজের পাশে মালবাহী একটি ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে কাজ শুরু করে। 

মৌলভীবাজারে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

mb

মৌলভীবাজার, নিউজমিরর :: হতে হবে সোচ্চার, সাগরের উচ্চতা বাড়াবো না আর-এ স্লোগনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারে পালিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০১৪। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার জেলা প্রশাসক কার্যালয় এসে শেষ হয়।

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) প্রকাশ কান্তি ধর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আশরাফুল ইসলাম, বন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, ম্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এ হামিদ, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন, এনজিও প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকরা র‌্যালিতে অংশ নেন। 

সিলেটে বিএনপির হরতাল রোববার, তিনদিনের কর্মসূচি ছাত্রদলের

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের (সিওমেক) ৪৯তম ব্যাচের এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ও ছাত্রদলকর্মী তৌহিদুল ইসলাম (২৫) হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রোববার সিলেটে অর্ধদিবস হরতাল আহবান করেছে মহানগর বিএনপি। পাশাপাশি হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটসহ তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রদল।

 

horyal

বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টায় তৌহীদুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাযা শেষে এ হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করেন মহানগর বিএনপি সভাপতি এমএ হক।
এ সময় সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আবুল কাহের শামীম, ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবদুর রাজ্জাক, আলী আহমদ, এমরান আহমদ চৌধুরী, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ সভাপতি আব্দুল আহাদ খান জামালসহ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা ছাত্রদল কর্মী  তৌহীদুল ইসলাম হত্যাকারীদের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে সিলেটের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রোববার ধর্মঘটসহ তিনদিনে কর্মসূচি ঘোষণা করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল।
জানাযা শেষে ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসলামুল ইসলাম রুদ্র এ কর্মসূচি ঘোষণা দেন।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রোববার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট ছাড়াও শনিবার মেডিকেল কলেজে শোক র‌্যালি ও শুক্রবার বাদ জুম্মা ক্যাম্পাস মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
এর আগে সকাল ৯টায় ওসমানী হাসপাতালে নিহতের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে সকাল সোয়া ১০টায় মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজের শিক্ষার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীদের না জানিয়ে জানাযা সম্পন্ন করে লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠাতে চাইলে বিএনপি, ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা এতে বাধাঁ দেয়। এসময় তারা দ্বিতীয় দফা জানাযা করার অনুমতি চাইলে পুলিশ তাদের আধ ঘন্টার সময় বেধে দেয়। সকাল সোয়া ১১টায় জানাযা শেষে কড়া পুলিশি পাহারায় তৌহিদের লাশ বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে রওনা করে।
এদিকে, হত্যার প্রতিবাদে সকাল থেকে কলেজের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে ধর্মঘট পালন করছে ছাত্রদল। আবুসিনা ছাত্রাবাসসহ অন্য ছাত্রাবাস গুলোতেও বিরাজ করছে নিরবতা। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কলেজ ক্যাম্পাস, হাসপাতাল ও সবক’টি ছাত্রাবাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) রহমত উল্লাহ।